
বিশেষজ্ঞদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সাইট বন্ধ হয়ে গেলে সে সাইটের তথ্য রিসাইকেল করা হয়। আর এই বিষয়টিই এখন অনলাইন প্রাইভেসির মান এবং এ বিষয়ের আইনকে কাঁচকলা দেখাচ্ছে।
কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞ আলেহান্দ্রো অ্যাকুয়িস্টি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে কোনো কোম্পানির সাইট বন্ধ হয়ে গেলে সেখানে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য কি করা হবে সে বিষয়টি কোম্পানির নিজস্ব নীতির ওপর নির্ভর করে। তবে, এ বিষয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মতো কোনো আইন যুক্তরাষ্ট্রে নেই। এককথায়, ব্যক্তিগত তথ্যের ডেটাবেজ কি করা হবে সেটি সাইটের মালিকই ঠিক করেন। তিনি আবার কোনো প্রতিষ্ঠান খুলে সেখানে এটি কাজে লাগাতে পারেন।
আলেসান্দ্রো অ্যাকুয়িস্টি আরো জানিয়েছেন, একবার যে তথ্য ইন্টারনেটে ছাড়া হয়, তা এককথায় অমর। এটি কেবল হাতবদল হয়ে এক রূপ থেকে আরেক রূপ নেবে।
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম