
পিংকির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন তাঁরই সতীর্থ অনামিকা আচার্য। পিংকি যে আসলে একজন ছেলে, তা প্রথম শোনা গিয়েছিল তাঁর কাছ থেকেই। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ জুন গ্রেপ্তার করা হয় পিংকিকে। সে সময় তাঁর লিঙ্গীয় পরিচয় পরীক্ষা করার আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। কিন্তু বারাসাতের একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন চিকিত্সাকেন্দ্র ও সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষার পরও কোনো নিশ্চিত ফলাফলে পৌঁছানো যায়নি। দেশের স্বনামধন্য একজন অ্যাথলেটকে এভাবে হয়রানি করায় সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে। পরবর্তী সময়ে হায়দরাবাদের একটি হাসপাতালে সফলভাবে শেষ হয় পিংকি প্রামাণিকের লিঙ্গীয় পরীক্ষা। পিংকি যে আসলে ছেলে, সেটা এই পরীক্ষা থেকে প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ।