
গবেষক হু-জু গ্রেস চো এবং নিকোলাজ এজ ৪২৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে জরিপ চালিয়ে এমন ফলাফলই পেলেন। জরিপটির মাধ্যেমে শিক্সার্থীরা কতোটুকু সময় ফেইসবুকে ব্যয় করে এবং তার সঙ্গে তাদের জীবনের পাওয়া না পাওয়ার মাঝে সম্পর্ক নিয়ে গবেষনা করেছেন গবেষক দুজন।
জরিপে করা প্রশ্নগুলো ছিল, তারা কতটা সুখী, জীবন সুন্দর কিনা ইত্যাদি। এছাড়াও সম্পর্কের অবস্থা, লিঙ্গ, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং জাতীয়তা ইত্যাদি বিষয়গুলোও ছিলো।
গবেষণার ফল বলছে, জীবন নিয়ে বেশিরভাগ ফেইসবুক ব্যাবহারকারীই হতাশ। অধিকাংশের ধারণা, তাদের চেয়ে বন্ধুরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন। এ কারণে হীনমণ্যতায় ভোগেন তারা। এ মনোভাব তাদের আরো বেশি করে অপরিচিত ব্যাক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে উৎসাহ যোগায়। যাদের অনেককেই তারা চেনেন না তাদের নিয়েই বেশি সময় কাটান।
গবেষকরা বলছেন, ফেইসবুকে দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে আনন্দের মাত্রা কমে যায়। কিন্তু উল্টো তারা সতর্কভাবেই হাশিখুশি ছবি শেয়ার করে ফেইসবুকে।
গবেষকদের পরামর্শ হচ্ছে, ফেইসবুক বা যেকোনো সোশাল নেটওয়ার্কিংয়ে কম সময় ব্যয় করে বাস্তব বাস্তব জীবনের বন্ধুদের সঙ্গে বেশি সময় কাটানো উচিৎ। এটা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও ভাল।
গবেষণা সংস্থা ‘আমেরিকান আ্যাকাডেমি অফ পেডিয়াট্রিকস’-এর তথ্য বলছে, ফেইসবুক এবং অন্যান্য সোশাল নেটওয়ার্কগুলোতে অধিক সময় কাটানো তরুণদের জন্য স্থায়ী হতাশা বা মানসিক রোগের কারণ হতে পারে।
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম