
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ২০১২ সালের শেষ নাগাদ হিগস বোসন কণার অস্তিত্ব খুঁজে পাবার আশা করছেন গবেষকরা।
ইউরোপিয়ান পার্টিকল ফিজিক্স ল্যাবরেটরির পদার্থবিদ রালফ হিউয়ার জানিয়েছেন, ‘২০১২ সালের শেষ নাগাদ এর একটা জবাব মিলবে।’
হিউয়ার আরো জানিয়েছেন, ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সুইস-ফ্রেঞ্চ সীমান্তে মাটির নীচে অবস্থিত লার্জ হার্ডন কোলাইডারে যে বিগ ব্যাং ঘটানো হয়েছে তারই ফল বিশ্লেষণ করে এ কণার অস্তিত্ব পাওয়া যাবে।
স্কটল্যান্ডের পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস এর নামে নামকরণ করা হিগস বোসন কণাটি এখনো অনাবিষ্কৃত। তিনি ১৯৬৪ সালে শক্তি হিসাবে এমন একটি কণার ধারণা দেন যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে। আর যার ফলে সম্ভব হয় এই মহাবিশ্ব সৃষ্টির। এ কণাটিই ঈশ্বর কণা নামে পরিচিতি পায়।
কীভাবে পদার্থ তৈরি হয় সে বিষয়টি জানতে এই কণার খোঁজে জেনেভার নিকটস্থ ভূগর্ভে মিনি বিগ ব্যাং ঘটিয়েছিলেন গবেষকরা।
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম