সত্য মানুষকে মুক্তি দেয় আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে
সবচেয়ে বড় প্রতারণা হলো তোমার ভাইকে এমন কথা বলা যা সে বিশ্বাস করে ফেলে অথচ তুমি তাকে মিথ্যে বলেছ । — আল হাদীস (আবু দাউদ শরীফ ঃ)
কথায় কথায় মিথ্যা বলা মুনাফেকী আমল। হাদীসে পাকে মিথ্যাকে মুনাফেকী আমল বলা হয়েছে। হাদীসে বলা হয়েছে- সত্য মানুষকে মুক্তি দেয় আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে। হতে পারে মিথ্যার আশ্রয়ে সাময়িক লাভবান হয়, কিন্তু সূর্যের আলো যেমন গোপন থাকে না তেমনি শেষ পর্যন্ত মিথ্যাও গোপন থাকে না। একদিন না একদিন প্রকাশ পেয়েই যায়। তখন লোকের সম্মুখে পূর্বের তুলনায় আরো অধিক অপদস্থ হতে হয়। মানুষের কাছে তার কোন ইজ্জত-সম্মান থাকে না। সকলেই তাকে মিথ্যাবাদী মনে করে। আর আল্লাহপাক তো প্রথম থেকেই তার মিথ্যা সম্পর্কে অবহিত আছেন। সুতরাং এরূপ লোকের ইহকাল পরকাল উভয় কালই ধ্বংসমুখী।
নারীর ‘কঠিন’ হৃদয়ের রহস্য…
হৃদরোগে নারীরা সহজে কাবু হয় না। হার্ট অ্যাটাকও তাদের খুব একটা ধারে-কাছে ভিড়ে না। অথচ এর বিপরীতে পুরুষরা যেন হৃদরোগ আর হার্ট অ্যাটাকের আস্তানা! আর পুরুষের একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে তো বেঁচে থাকার সম্ভাবনা একেবারেই ‘ওপরঅলার হাতে’। হৃদরোগ কেন নারীদের ধারে-কাছে ঘেঁষে না আর পুরুষেরা কেন এ রোগের হাতে এত অসহায়_এর সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বহু দিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। এত দিনে সে চেষ্টা সফল হয়েছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, নারীর দেহে থাকা ইস্ট্রোজেন হরমোনের কারণেই নারীদের হৃদয় এত ‘কঠিন’!
কুইন ম্যারি অ্যাট ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের উইলিয়াম হার্ভি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান গবেষক ড. সুচিতা নাদকারনি জানিয়েছেন, তাঁরা ইস্ট্রোজেনের সঙ্গে হৃদরোগের সম্পর্কের একটি স্পষ্ট চিত্র তাঁদের সাম্প্রতিক গবেষণায় পেয়েছেন। সম্পর্কটি একেবারেই সহজ ও সরল। দেখা গেছে, নারীর যৌন হরমোন হিসেবে সুপরিচিত হলেও ইস্ট্রোজেন হৃৎপিণ্ডের ধমনীগুলোর দেয়ালে রক্তের কোষ জমাট বাঁধতে বাঁধা দেয়। ইস্ট্রোজেনের অনুপস্থিতির কারণে এ ব্যাপারটি পুরুষদের মধ্যে ঘটে না। ফলে পুরুষরা অনেক অল্প বয়স থেকেই হৃদরোগের ঝুঁকিতে থাকে। তাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের মাত্রা এবং এর প্রভাবও অনেক বেশি হয়। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, নারীদের বয়স ৫০-এর কোঠায় পেঁৗছার সময় থেকে তাদের মধ্যেও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে শুরু করে। বিশেষ করে রজঃনিবৃত্তির (মেনোপজ) পর নারীদের দেহে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে এ সময় থেকে নারীদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি মাত্রায় বাড়তে থাকে।
গবেষকরা বলছেন, এ গবেষণা থেকে নারীদেহে ইস্ট্রোজেনের আরো একটি ভূমিকা সম্পর্কে জানা গেছে। এটি হলো, সংক্রমণ (ইনফেকশন) ও আঘাতের প্রতি নারীদের শারীরবৃত্তীয় ব্যবস্থা কিভাবে সাড়া দেবে, সেটির ওপরও ইস্ট্রোজেনের প্রভাব রয়েছে। দেখা গেছে, ইস্ট্রোজেন রক্ত কোষ ও এর আরো অনেক উপাদানকে বিভিন্ন ধরনের আঘাত বা সংক্রমণের পরও যথাসম্ভব সুরক্ষিত রাখে। সূত্র : দ্য ডেইলি মেইল অনলাইন।
About the Author
Write About Yourself/Fellow Blogger Here!!!
Follow Me on Twitter [at] akashnill
Add this widget to your blog
Follow Me on Twitter [at] akashnill
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
মানব জীবন সারাংশ
যা হয়েছে তা ভালই হয়েছে ,
যা হচ্ছে তা ভালই হচ্ছে,
যা হবে তাও ভালই হবে।
তোমার কি হারিয়েছে, যে তুমি কাঁদছ ?
তুমি কি নিয়ে এসেছিলে, যা তুমি হারিয়েছ?
তুমি কি সৃষ্টি করেছ, যা নষ্ট হয়ে গেছে?
তুমি যা নিয়েছ, এখান থেকেই নিয়েছ,
যা দিয়েছ এখানেই দিয়েছ।
তোমার আজ যা আছে ,
কাল তা অন্যকারো ছিল,
পরশু সেটা অন্যকারো হয়ে যাবে।
পরিবর্তনই সংসার এর নিয়ম ।
যা হচ্ছে তা ভালই হচ্ছে,
যা হবে তাও ভালই হবে।
তোমার কি হারিয়েছে, যে তুমি কাঁদছ ?
তুমি কি নিয়ে এসেছিলে, যা তুমি হারিয়েছ?
তুমি কি সৃষ্টি করেছ, যা নষ্ট হয়ে গেছে?
তুমি যা নিয়েছ, এখান থেকেই নিয়েছ,
যা দিয়েছ এখানেই দিয়েছ।
তোমার আজ যা আছে ,
কাল তা অন্যকারো ছিল,
পরশু সেটা অন্যকারো হয়ে যাবে।
পরিবর্তনই সংসার এর নিয়ম ।
জীবন মানে সংগ্রাম
চেয়েছিলাম শীতের কাছে
এক বিন্দু শিশির কণা
সে দিলো শৈত্যপ্রবাহ
আর তুষার ঝড়
বস্রহীন মানুষের আর্তনাদ
আর বেচেঁ থাকার যন্ত্রনা..
প্রকৃতির কাছে চেয়েছিলাম
একটি সুখের নীড়
সে দিলো নদীর ভাঙ্গন
আর সর্বনাশা জলোচ্ছ্বাস
এরই নাম জীবন,
বেচেঁ থাকা যায় না সংগ্রামহীন ..
এক বিন্দু শিশির কণা
সে দিলো শৈত্যপ্রবাহ
আর তুষার ঝড়
বস্রহীন মানুষের আর্তনাদ
আর বেচেঁ থাকার যন্ত্রনা..
প্রকৃতির কাছে চেয়েছিলাম
একটি সুখের নীড়
সে দিলো নদীর ভাঙ্গন
আর সর্বনাশা জলোচ্ছ্বাস
এরই নাম জীবন,
বেচেঁ থাকা যায় না সংগ্রামহীন ..
Popular Posts
- ডাউনলোড করুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি- প্রকৌশলী মজিবুর রহমান Textbook For Class XI-XII
- বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
- বাৎসরিক বাংলা রাশিফল 2015
- গর্ভবতীর ৯ মাসের বিপদ-আপদ
- সব রোগ নিরাময়ের এক বিধান প্রতিদিন দুই বেলা ত্রিফলা খান
- হিপনোটিজম বা সম্মোহনবিদ্যা : নিজেকে সম্মোহিত করুন
- রেজিষ্ট্রেশন ফরম
- বাৎসরিক বাংলা রাশিফল 2012
- ২১ শে ফেব্রুয়ারী: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
- বিল গেটস এর অবিশ্বাস্য জীবনের কিছু তথ্য
Popular Posts Last 30 Days
- হিপনোটিজম বা সম্মোহনবিদ্যা : নিজেকে সম্মোহিত করুন
- ডাউনলোড করুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি- প্রকৌশলী মজিবুর রহমান Textbook For Class XI-XII
- বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার স্কুলের এস, এস, সি ২০১১ এর ফলাফল দেখুন
- ১৪০০ সাল কবিতাটি পড়ে কাজী নজরুল ইসলাম উত্তরে এই কবিতাটি লিখেছিলেন,
- গীতা সারাংশ
- রেজিষ্ট্রেশন ফরম
- নারীরা যে ৬টি "মাইন্ড গেম" খেলে থাকেন পুরুষের সাথে!
- চোখের পানির রহস্য
- Test Flight
- কাজের চাপে মেয়েদের হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে
Popular Posts Last 7 Days
- ডাউনলোড করুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি- প্রকৌশলী মজিবুর রহমান Textbook For Class XI-XII
- ১৪০০ সাল কবিতাটি পড়ে কাজী নজরুল ইসলাম উত্তরে এই কবিতাটি লিখেছিলেন,
- রেজিষ্ট্রেশন ফরম
- গীতা সারাংশ
- বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার স্কুলের এস, এস, সি ২০১১ এর ফলাফল দেখুন
- Endeavour's Final Journey Home
- Six Steps to Courteney Cox's Bikini Body
- In the Light of the Sun
- Docked One Last Time
- | কুইজ | মার্কেট প্রাইস | সৌরজগতে এতিম গ্রহ!
স্মরনীয় বাণী
### আজ যা নির্ভুল বলে জানছি, কাল সেটাকেই চরম ভূল বলে মনে হয়।আজ যেটাকে চমকপ্রদ বুদ্ধি মত্ত্বা বলে ভাবছি, সেটাকেই জানব চরম নির্বুদ্ধিতা
### ‘বন্ধুকুল! পৃথিবীতে বন্ধু বলে কেউ আছে আমি জানিনে। শুধু আমার নয়, কারো আছে কিনা সন্দেহ!বন্ধু পাওয়া যায় সেই ছেলেবেলায় স্কুল-কলেজেই।প্রাণের বন্ধু।তারপর আর না ।’ ‘আর না? সারা জীবনে আর না?’
‘জীবন জুড়ে যারা থাকে তারা কেউ কারো বন্ধু নয়।তারা দু’রকমের।এনিমি আর নন্-এনিমি। নন্-এনিমিদেরই বন্ধু বলে ধরতে হয়।’
স্মরনীয় বাণী
# এই সংসারে নিজের বলতে কেউ নেই। কেউ কেউ আপন হয়, আপনার হতে চায়, ক্ষনকালের জন্য, কিছু দিনের জন্য। তুমি যদি সমস্ত জীবনটাকে ছোট করে হাতের তালুর মধ্যে তুলে ধরে একটা বলের মতো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখো, ‘ত’ দেখবে যে তুমি ছাড়া, তোমার আয়নায় মুখ ছাড়া, তোমার আপনার বলে কেই নেই, সত্যি কেউ নেই।
#মানুষের স্বভাব হচ্ছে অন্যদের টেনশানে ফেলে সে আনন্দ পায়। সৃ্ষ্টিকর্তাও আমাদের টেনশানে ফেলে আনন্দ পান বলেই মানবজাতি সারাক্ষন টেনশানে থাকে।
#মানুষের মহত্ত্বম গুনের একটির নাম কৌতুহল।
হে মানবজাতি তোমরা বাক্য, কর্ম ও চিন্তায় সৎ হও!!!
***যে ব্যক্তি বাক্য, কর্ম ও চিন্তায় সৎ নয়, সে প্রকৃত মানুষ নয়।একজন পরিপূর্ণ মানুষ হতে হলে, একজন পরিপূর্ণ সৎ লোক হতে হবে। যে ব্যক্তি সকল বিষয়ে সৎ থাকে, সেই সর্বশ্রেষ্ঠ মানব। মানুষের ধর্ম এর চেয়ে কর্ম বড়।তাই করো ধর্মকে গুরুত্ব না দিয়ে তার কর্মকে গুরুত্ব দেয়া উচিত।***




0 comments:
Post a Comment