সত্য মানুষকে মুক্তি দেয় আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে
সবচেয়ে বড় প্রতারণা হলো তোমার ভাইকে এমন কথা বলা যা সে বিশ্বাস করে ফেলে অথচ তুমি তাকে মিথ্যে বলেছ । — আল হাদীস (আবু দাউদ শরীফ ঃ)
কথায় কথায় মিথ্যা বলা মুনাফেকী আমল। হাদীসে পাকে মিথ্যাকে মুনাফেকী আমল বলা হয়েছে। হাদীসে বলা হয়েছে- সত্য মানুষকে মুক্তি দেয় আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে। হতে পারে মিথ্যার আশ্রয়ে সাময়িক লাভবান হয়, কিন্তু সূর্যের আলো যেমন গোপন থাকে না তেমনি শেষ পর্যন্ত মিথ্যাও গোপন থাকে না। একদিন না একদিন প্রকাশ পেয়েই যায়। তখন লোকের সম্মুখে পূর্বের তুলনায় আরো অধিক অপদস্থ হতে হয়। মানুষের কাছে তার কোন ইজ্জত-সম্মান থাকে না। সকলেই তাকে মিথ্যাবাদী মনে করে। আর আল্লাহপাক তো প্রথম থেকেই তার মিথ্যা সম্পর্কে অবহিত আছেন। সুতরাং এরূপ লোকের ইহকাল পরকাল উভয় কালই ধ্বংসমুখী।
মুছে যাবে সব কষ্টের স্মৃতি!
যন্ত্রণাময় দুঃসহ অনেক স্মৃতি আমাদের থাকে, যা থেকে আমরা রেহাই পেতে চাই। মনে করতে চাই না আর সেই ঘটনা। মাথা থেকে একেবারেই ঝেড়ে ফেলতে চাই। কিন্তু মানুষ চাইলেই সব পারে না। আর তাই চাইলেও পিছু ছাড়ে না কষ্টের স্মৃতিগুলো, দুঃস্বপ্নের মতো ফিরে আসে বারবার।
আমরা সাধারণ মানুষ পারি না, কিন্তু হাল ছাড়েননি বিজ্ঞানীরা। তাঁরা লেগে আছেন আমাদের মুক্তি দিতে। উপায়ও একটা প্রায় বের করে ফেলেছেন। তাঁদের সেই প্রচেষ্টা সফল হলে মানুষ মুক্তি পাবে দুঃসহ স্মৃতির হাত থেকে। সহজেই মুছে ফেলা যাবে সেই সব স্মৃতি, যা আমাদের কষ্ট দিয়ে চলেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেভিড গ্লেঞ্জম্যানের নেতৃত্বে গবেষণা করছেন একদল গবেষক। তাঁরা দাবি করেছেন, মস্তিষ্ক থেকে কষ্টের স্মৃতি চিরতরে মুছে ফেলার একটা উপায় তাঁরা প্রায় বের করে ফেলেছেন। মানুষের বেদনাদায়ক যে স্মৃতিভান্ডার আছে, তার সঙ্গে পিকেএম নামের একটি প্রোটিনের সম্পর্ক তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন। এই প্রোটিনটির কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই মস্তিষ্ক থেকে বেদনাদায়ক স্মৃতি মুছে ফেলা যাবে। সামুদ্রিক শামুকের ওপর এ পরীক্ষা করে তাঁরা সফলতা পেয়েছেন।
গবেষকেরা জানান, অ্যাপলেসিয়া নামে পরিচিত একধরনের সামুদ্রিক শামুকের ওপর তাঁরা এই গবেষণা চালান, যা ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলের সাগরে প্রচুর পাওয়া যায়। এই শামুকের কেন্দ্রীয় স্নায়ুব্যবস্থায় নিউরনের সংখ্যা মাত্র ২০ হাজার, যেখানে মানুষের ক্ষেত্রে প্রায় এক ট্রিলিয়ন। তবে কোনো ঘটনা থেকে শেখার এবং তার থেকে স্মৃতি সংরক্ষণের ব্যাপারে মানুষের সঙ্গে এই শামুকের মিল আছে।
গবেষকেরা প্রথমে এই শামুককে বৈদ্যুতিক শক দেন। এরপর শামুকটিকে শরীরের মাঝ বরাবর আস্তে করে খোঁচা দেওয়া হয়। তখন দেখা যায়, শামুকটি ৫০ সেকেন্ড পর নিজেকে গুটিয়ে ফেলছে।
এর এক সপ্তাহ পর গবেষকেরা সেই ক্ষতস্থানে আবার খোঁচা দেন। তখনো শামুকটি সংকুচিত হচ্ছে কিন্তু এ ক্ষেত্রে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই সেটি ঘটছে। এর থেকে গবেষকদের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় যে শামুকগুলো কষ্টের নানা অনুভূতি সংরক্ষণ করে রেখেছিল এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দিয়েছে।
এরপর গবেষকেরা ইনজেকশনের মাধ্যমে শামুকের মধ্যে এমন রাসায়নিক ঢুকিয়ে দেন, যা পিকেএম প্রোটিনের কার্যকারিতা বন্ধ করে দেয়। এরপর তাঁরা ২৪ ঘণ্টা পর আবার শামুকটিকে খোঁচা দিয়ে দেখেন, তখন সেটি আর প্রায় সাড়া দিচ্ছে না।
অধ্যাপক ডেভিড গ্লেঞ্জম্যান বলেন, ‘আমরা কোষাবাদের মাধ্যমেই এটি করতে পারি। কোষাবাদের সময় স্নায়ুর সংযোগ এবং মানুষের মস্তিষ্কের ক্ষেত্রে বলতে গেলে তেমন কোনো পার্থক্য নেই।’
তাঁদের গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল অব নিউরোসায়েন্স-এ। গবেষণা সফল হলে এর মাধ্যমে রণাঙ্গনফেরত যোদ্ধা, ভয়ংকর কোনো ঘটনার স্মৃতিপীড়িত মানুষ, মাদকাসক্ত ব্যক্তি, আলঝেইমার রোগী ও দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতিভ্রষ্ট মানুষের চিকিৎসা সহজ হয়ে যাবে।
গবেষক গ্লেঞ্জম্যান বলেন, ‘আমি মনে করি, মানুষের মস্তিষ্ক থেকে বেদনাদায়ক স্মৃতি আমরা একদিন সরিয়ে ফেলতে পারব। হয়তো এক্ষুনি নয়, কিন্তু একদিন আমরা আমাদের মস্তিষ্কে ঢুকতে পারব এবং সেখানে রক্ষিত বেদনাদায়ক স্মৃতির অবস্থান নির্ণয় করে তা ধ্বংস করে ফেলতে পারব।’ সূত্র: রয়টার্স।
About the Author
Write About Yourself/Fellow Blogger Here!!!
Follow Me on Twitter [at] akashnill
Add this widget to your blog
Follow Me on Twitter [at] akashnill
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
মানব জীবন সারাংশ
যা হয়েছে তা ভালই হয়েছে ,
যা হচ্ছে তা ভালই হচ্ছে,
যা হবে তাও ভালই হবে।
তোমার কি হারিয়েছে, যে তুমি কাঁদছ ?
তুমি কি নিয়ে এসেছিলে, যা তুমি হারিয়েছ?
তুমি কি সৃষ্টি করেছ, যা নষ্ট হয়ে গেছে?
তুমি যা নিয়েছ, এখান থেকেই নিয়েছ,
যা দিয়েছ এখানেই দিয়েছ।
তোমার আজ যা আছে ,
কাল তা অন্যকারো ছিল,
পরশু সেটা অন্যকারো হয়ে যাবে।
পরিবর্তনই সংসার এর নিয়ম ।
যা হচ্ছে তা ভালই হচ্ছে,
যা হবে তাও ভালই হবে।
তোমার কি হারিয়েছে, যে তুমি কাঁদছ ?
তুমি কি নিয়ে এসেছিলে, যা তুমি হারিয়েছ?
তুমি কি সৃষ্টি করেছ, যা নষ্ট হয়ে গেছে?
তুমি যা নিয়েছ, এখান থেকেই নিয়েছ,
যা দিয়েছ এখানেই দিয়েছ।
তোমার আজ যা আছে ,
কাল তা অন্যকারো ছিল,
পরশু সেটা অন্যকারো হয়ে যাবে।
পরিবর্তনই সংসার এর নিয়ম ।
জীবন মানে সংগ্রাম
চেয়েছিলাম শীতের কাছে
এক বিন্দু শিশির কণা
সে দিলো শৈত্যপ্রবাহ
আর তুষার ঝড়
বস্রহীন মানুষের আর্তনাদ
আর বেচেঁ থাকার যন্ত্রনা..
প্রকৃতির কাছে চেয়েছিলাম
একটি সুখের নীড়
সে দিলো নদীর ভাঙ্গন
আর সর্বনাশা জলোচ্ছ্বাস
এরই নাম জীবন,
বেচেঁ থাকা যায় না সংগ্রামহীন ..
এক বিন্দু শিশির কণা
সে দিলো শৈত্যপ্রবাহ
আর তুষার ঝড়
বস্রহীন মানুষের আর্তনাদ
আর বেচেঁ থাকার যন্ত্রনা..
প্রকৃতির কাছে চেয়েছিলাম
একটি সুখের নীড়
সে দিলো নদীর ভাঙ্গন
আর সর্বনাশা জলোচ্ছ্বাস
এরই নাম জীবন,
বেচেঁ থাকা যায় না সংগ্রামহীন ..
Popular Posts
- ডাউনলোড করুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি- প্রকৌশলী মজিবুর রহমান Textbook For Class XI-XII
- বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
- বাৎসরিক বাংলা রাশিফল 2015
- গর্ভবতীর ৯ মাসের বিপদ-আপদ
- সব রোগ নিরাময়ের এক বিধান প্রতিদিন দুই বেলা ত্রিফলা খান
- হিপনোটিজম বা সম্মোহনবিদ্যা : নিজেকে সম্মোহিত করুন
- রেজিষ্ট্রেশন ফরম
- বাৎসরিক বাংলা রাশিফল 2012
- ২১ শে ফেব্রুয়ারী: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
- বিল গেটস এর অবিশ্বাস্য জীবনের কিছু তথ্য
স্মরনীয় বাণী
### আজ যা নির্ভুল বলে জানছি, কাল সেটাকেই চরম ভূল বলে মনে হয়।আজ যেটাকে চমকপ্রদ বুদ্ধি মত্ত্বা বলে ভাবছি, সেটাকেই জানব চরম নির্বুদ্ধিতা
### ‘বন্ধুকুল! পৃথিবীতে বন্ধু বলে কেউ আছে আমি জানিনে। শুধু আমার নয়, কারো আছে কিনা সন্দেহ!বন্ধু পাওয়া যায় সেই ছেলেবেলায় স্কুল-কলেজেই।প্রাণের বন্ধু।তারপর আর না ।’ ‘আর না? সারা জীবনে আর না?’
‘জীবন জুড়ে যারা থাকে তারা কেউ কারো বন্ধু নয়।তারা দু’রকমের।এনিমি আর নন্-এনিমি। নন্-এনিমিদেরই বন্ধু বলে ধরতে হয়।’
স্মরনীয় বাণী
# এই সংসারে নিজের বলতে কেউ নেই। কেউ কেউ আপন হয়, আপনার হতে চায়, ক্ষনকালের জন্য, কিছু দিনের জন্য। তুমি যদি সমস্ত জীবনটাকে ছোট করে হাতের তালুর মধ্যে তুলে ধরে একটা বলের মতো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখো, ‘ত’ দেখবে যে তুমি ছাড়া, তোমার আয়নায় মুখ ছাড়া, তোমার আপনার বলে কেই নেই, সত্যি কেউ নেই।
#মানুষের স্বভাব হচ্ছে অন্যদের টেনশানে ফেলে সে আনন্দ পায়। সৃ্ষ্টিকর্তাও আমাদের টেনশানে ফেলে আনন্দ পান বলেই মানবজাতি সারাক্ষন টেনশানে থাকে।
#মানুষের মহত্ত্বম গুনের একটির নাম কৌতুহল।
হে মানবজাতি তোমরা বাক্য, কর্ম ও চিন্তায় সৎ হও!!!
***যে ব্যক্তি বাক্য, কর্ম ও চিন্তায় সৎ নয়, সে প্রকৃত মানুষ নয়।একজন পরিপূর্ণ মানুষ হতে হলে, একজন পরিপূর্ণ সৎ লোক হতে হবে। যে ব্যক্তি সকল বিষয়ে সৎ থাকে, সেই সর্বশ্রেষ্ঠ মানব। মানুষের ধর্ম এর চেয়ে কর্ম বড়।তাই করো ধর্মকে গুরুত্ব না দিয়ে তার কর্মকে গুরুত্ব দেয়া উচিত।***




0 comments:
Post a Comment