সত্য মানুষকে মুক্তি দেয় আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে
সবচেয়ে বড় প্রতারণা হলো তোমার ভাইকে এমন কথা বলা যা সে বিশ্বাস করে ফেলে অথচ তুমি তাকে মিথ্যে বলেছ । — আল হাদীস (আবু দাউদ শরীফ ঃ)
কথায় কথায় মিথ্যা বলা মুনাফেকী আমল। হাদীসে পাকে মিথ্যাকে মুনাফেকী আমল বলা হয়েছে। হাদীসে বলা হয়েছে- সত্য মানুষকে মুক্তি দেয় আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে। হতে পারে মিথ্যার আশ্রয়ে সাময়িক লাভবান হয়, কিন্তু সূর্যের আলো যেমন গোপন থাকে না তেমনি শেষ পর্যন্ত মিথ্যাও গোপন থাকে না। একদিন না একদিন প্রকাশ পেয়েই যায়। তখন লোকের সম্মুখে পূর্বের তুলনায় আরো অধিক অপদস্থ হতে হয়। মানুষের কাছে তার কোন ইজ্জত-সম্মান থাকে না। সকলেই তাকে মিথ্যাবাদী মনে করে। আর আল্লাহপাক তো প্রথম থেকেই তার মিথ্যা সম্পর্কে অবহিত আছেন। সুতরাং এরূপ লোকের ইহকাল পরকাল উভয় কালই ধ্বংসমুখী।
নারীরা সত্যিই এতটা বিষণ্ন?
পুরুষের চেয়ে নারীরা বিষণ্নতায় বেশি
ভোগেন। কয়েক দশক ধরেই নারীর বিষণ্নতায় ভোগার হার পুরুষের চেয়ে অনেক বেশি।
প্রচলিত এ ধারণা এবার প্রশ্নের মুখে পড়তে যাচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এ হার
বাড়ার পেছনে নারীদের বিষণ্নতার এই রোগে ভোগাই একমাত্র কারণ নয়, ওষুধ
কম্পানিগুলোও হয়তো এর জন্য দায়ী।
ইউরোপিয়ান
নিউরোসাইকোফার্মাকোলজি নামের সাময়িকীতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা
জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সাধারণভাবে স্বীকৃত ধারণা হলো-আধুনিক জীবনের
কারণে নারীরা বেশি বিষণ্নতায় ভোগেন। আধুনিক নারীরা সংসার ও ক্যারিয়ার-এ
দুটি একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে এ সমস্যায় পড়েন। তবে যুক্তরাজ্যের নারীদের ওপর
এবার গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি তিনজন নারীর মধ্যে একজন তাঁর জীবনের কোনো না
কোনো পর্যায়ে এ সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে ওষুধ
(অ্যান্টি-ডিপ্রেস্যান্ট) গ্রহণ করেছেন। অথচ চার দশক আগে প্রতি সাতজনের
মধ্যে একজন নারীর ক্ষেত্রে এমনটি ঘটত। আবার পুরুষদের বেলায় এ হার যেমন কম,
তেমনি চার দশকে এ হার বৃদ্ধির প্রবণতাও দেখা গেছে যথেষ্টই কম। অথচ আধুনিক
জীবনধারায় সংসারের ওপর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব কমে আসা, যেকোনো সময় চাকরি
হারানোর ভয় ইত্যাদি কারণ পুরুষদের মধ্যে বেশি বিষণ্নতার জন্ম দেওয়ার কথা।
তা না হয়ে বরং উল্টো নারীদের মধ্যে বিষণ্নতার প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আগের দিনের নারীরা আরো অনেক বেশি সমস্যার
মুখোমুখি হতেন। তখনও তাঁদের কাজ করতে হতো এবং তা করতে হতো অনেক বৈরী
পরিবেশে। জেন্ডার বৈষম্য ছিল তখন অনেক বেশি। তাই ওই সময়ের নারীদের চেয়ে
এখনকার নারীদের বেশি বিষণ্নতায় ভোগার আসলে কোনো কারণ নেই। গবেষণায় দেখা
গেছে, প্রাথমিক পর্যায়ে শুধু কাউন্সেলিং বা কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপির
(সিবিটি) মাধ্যমেই বিষণ্নতার চিকিৎসা সম্ভব। কিন্তু চিকিৎসকরা তা না করে
শুরুতেই ওষুধ প্রয়োগ করেন।
গবেষকরা বলছেন, এ পুরো ঘটনার পেছনে
চিকিৎসাব্যবস্থার জটিলতার পাশাপাশি এসব ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের
ব্যবসায়িক স্বার্থও জড়িত। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রচারণায় বিশ্বাস করে নারীদের
মধ্যে নিজেকে বিষণ্নতায় আক্রান্ত ভেবে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া ও ওষুধ
খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে। তাই নারীরা সবচেয়ে বেশি বিষণ্নতায় ভুগছেন_এমন
সিদ্ধান্ত নেওয়া এখনই খুব একটা যুক্তিসংগত হবে না।
সূত্র : দ্য ডেইলিমেইল অনলাইন।
কালের কন্ঠ
About the Author
Write About Yourself/Fellow Blogger Here!!!
Follow Me on Twitter [at] akashnill
Add this widget to your blog
Follow Me on Twitter [at] akashnill
Labels:
গবেষনা,
নারী,
নারীর স্বাস্থ্য,
স্বাস্থ্য
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
মানব জীবন সারাংশ
যা হয়েছে তা ভালই হয়েছে ,
যা হচ্ছে তা ভালই হচ্ছে,
যা হবে তাও ভালই হবে।
তোমার কি হারিয়েছে, যে তুমি কাঁদছ ?
তুমি কি নিয়ে এসেছিলে, যা তুমি হারিয়েছ?
তুমি কি সৃষ্টি করেছ, যা নষ্ট হয়ে গেছে?
তুমি যা নিয়েছ, এখান থেকেই নিয়েছ,
যা দিয়েছ এখানেই দিয়েছ।
তোমার আজ যা আছে ,
কাল তা অন্যকারো ছিল,
পরশু সেটা অন্যকারো হয়ে যাবে।
পরিবর্তনই সংসার এর নিয়ম ।
যা হচ্ছে তা ভালই হচ্ছে,
যা হবে তাও ভালই হবে।
তোমার কি হারিয়েছে, যে তুমি কাঁদছ ?
তুমি কি নিয়ে এসেছিলে, যা তুমি হারিয়েছ?
তুমি কি সৃষ্টি করেছ, যা নষ্ট হয়ে গেছে?
তুমি যা নিয়েছ, এখান থেকেই নিয়েছ,
যা দিয়েছ এখানেই দিয়েছ।
তোমার আজ যা আছে ,
কাল তা অন্যকারো ছিল,
পরশু সেটা অন্যকারো হয়ে যাবে।
পরিবর্তনই সংসার এর নিয়ম ।
জীবন মানে সংগ্রাম
চেয়েছিলাম শীতের কাছে
এক বিন্দু শিশির কণা
সে দিলো শৈত্যপ্রবাহ
আর তুষার ঝড়
বস্রহীন মানুষের আর্তনাদ
আর বেচেঁ থাকার যন্ত্রনা..
প্রকৃতির কাছে চেয়েছিলাম
একটি সুখের নীড়
সে দিলো নদীর ভাঙ্গন
আর সর্বনাশা জলোচ্ছ্বাস
এরই নাম জীবন,
বেচেঁ থাকা যায় না সংগ্রামহীন ..
এক বিন্দু শিশির কণা
সে দিলো শৈত্যপ্রবাহ
আর তুষার ঝড়
বস্রহীন মানুষের আর্তনাদ
আর বেচেঁ থাকার যন্ত্রনা..
প্রকৃতির কাছে চেয়েছিলাম
একটি সুখের নীড়
সে দিলো নদীর ভাঙ্গন
আর সর্বনাশা জলোচ্ছ্বাস
এরই নাম জীবন,
বেচেঁ থাকা যায় না সংগ্রামহীন ..
Popular Posts
- ডাউনলোড করুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি- প্রকৌশলী মজিবুর রহমান Textbook For Class XI-XII
- বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
- বাৎসরিক বাংলা রাশিফল 2015
- গর্ভবতীর ৯ মাসের বিপদ-আপদ
- সব রোগ নিরাময়ের এক বিধান প্রতিদিন দুই বেলা ত্রিফলা খান
- হিপনোটিজম বা সম্মোহনবিদ্যা : নিজেকে সম্মোহিত করুন
- রেজিষ্ট্রেশন ফরম
- বাৎসরিক বাংলা রাশিফল 2012
- ২১ শে ফেব্রুয়ারী: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
- বিল গেটস এর অবিশ্বাস্য জীবনের কিছু তথ্য
Popular Posts Last 30 Days
- ডাউনলোড করুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি- প্রকৌশলী মজিবুর রহমান Textbook For Class XI-XII
- কাঁচা বাঁশের লাঠি
- বাংলাদেশের আদিবাসী ভাষা পরিচিতি
- চোখের পানির রহস্য
- বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার স্কুলের এস, এস, সি ২০১১ এর ফলাফল দেখুন
- গীতা সারাংশ
- আছড়ে পড়বে ৬ টনী কৃত্রিম উপগ্রহ
- ভোঁদড়ের আস্তানা
- প্রাণের সৃষ্টি গ্রিনল্যান্ডে!
- ১৪০০ সাল কবিতাটি পড়ে কাজী নজরুল ইসলাম উত্তরে এই কবিতাটি লিখেছিলেন,
Popular Posts Last 7 Days
- কাঁচা বাঁশের লাঠি
- ডাউনলোড করুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি- প্রকৌশলী মজিবুর রহমান Textbook For Class XI-XII
- Government sues Apollo 14 astronaut over lunar camera
- 10 Mysteries With A Logical Explanation
- The History Of Cricket
- Endeavour's Rendezvous Pitch Maneuver
- History of Bangla Cinema
- Prince William and Kate Middleton honor Diana’s memory
- সর্বরোগের মহৌষধ!
- The Brief History Of Cricket
স্মরনীয় বাণী
### আজ যা নির্ভুল বলে জানছি, কাল সেটাকেই চরম ভূল বলে মনে হয়।আজ যেটাকে চমকপ্রদ বুদ্ধি মত্ত্বা বলে ভাবছি, সেটাকেই জানব চরম নির্বুদ্ধিতা
### ‘বন্ধুকুল! পৃথিবীতে বন্ধু বলে কেউ আছে আমি জানিনে। শুধু আমার নয়, কারো আছে কিনা সন্দেহ!বন্ধু পাওয়া যায় সেই ছেলেবেলায় স্কুল-কলেজেই।প্রাণের বন্ধু।তারপর আর না ।’ ‘আর না? সারা জীবনে আর না?’
‘জীবন জুড়ে যারা থাকে তারা কেউ কারো বন্ধু নয়।তারা দু’রকমের।এনিমি আর নন্-এনিমি। নন্-এনিমিদেরই বন্ধু বলে ধরতে হয়।’
স্মরনীয় বাণী
# এই সংসারে নিজের বলতে কেউ নেই। কেউ কেউ আপন হয়, আপনার হতে চায়, ক্ষনকালের জন্য, কিছু দিনের জন্য। তুমি যদি সমস্ত জীবনটাকে ছোট করে হাতের তালুর মধ্যে তুলে ধরে একটা বলের মতো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখো, ‘ত’ দেখবে যে তুমি ছাড়া, তোমার আয়নায় মুখ ছাড়া, তোমার আপনার বলে কেই নেই, সত্যি কেউ নেই।
#মানুষের স্বভাব হচ্ছে অন্যদের টেনশানে ফেলে সে আনন্দ পায়। সৃ্ষ্টিকর্তাও আমাদের টেনশানে ফেলে আনন্দ পান বলেই মানবজাতি সারাক্ষন টেনশানে থাকে।
#মানুষের মহত্ত্বম গুনের একটির নাম কৌতুহল।
হে মানবজাতি তোমরা বাক্য, কর্ম ও চিন্তায় সৎ হও!!!
***যে ব্যক্তি বাক্য, কর্ম ও চিন্তায় সৎ নয়, সে প্রকৃত মানুষ নয়।একজন পরিপূর্ণ মানুষ হতে হলে, একজন পরিপূর্ণ সৎ লোক হতে হবে। যে ব্যক্তি সকল বিষয়ে সৎ থাকে, সেই সর্বশ্রেষ্ঠ মানব। মানুষের ধর্ম এর চেয়ে কর্ম বড়।তাই করো ধর্মকে গুরুত্ব না দিয়ে তার কর্মকে গুরুত্ব দেয়া উচিত।***




0 comments:
Post a Comment